লাইসেন্স প্রাপ্ত থেরাপিস্ট, কাউন্সিলার, হিলার, মনোবিদদের সাথে কথা বলুন, নিজের বাড়িতে বসে, নিজের গোপনীয়তা বজায় রেখে।

মনের কথা সহজে বলে মনকে আনন্দে রাখার সিক্রেট
সাইকোলজিক্যাল নানান থেরাপি এবং সেশনের মাধ্যমে মনকে ভালো রাখুন
Spark.Live-এ রয়েছেন বিশিষ্ট সকল সাইকোলজিস্ট এবং কাউন্সিলররা শুধুমাত্র আপনাদের জন্যে।

প্রথম বুকিংয়ে ৫০ টাকা আকর্ষণীয় ছাড় পেতে SPARKFEST50 কুপনটি ব্যবহার করুন।


মানসিক রোগ বা মানসিক সমস্যা নিয়ে অনেক ভ্রান্ত ধারণা আমাদের সমাজে প্রচলিত রয়েছে। এসব ভ্রান্ত ধারণার জন্য ভুক্তভোগী সঠিক চিকিৎসা পান না বা সামাজিকভাবে অনেক হেয় হতে হয়। আমাদের প্রয়োজন মন খুলে কথা বলা, তাহলে আমরা নিজেদের মনের নানান সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারবো এবং মনকে ভালো রেখে জীবনের নানান বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যেতে পারবো। 

বেশ কয়েকটি সাম্প্রতিক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে পৃথিবীর সবার্ধিক “আনহ্যাপি” দেশগুলির মধ্যে অন্যতম হল ভারত। কাজেই মন খারাপ, মুড অফ, ডিপ্রশনে এখন অনেকেরই ওষ্ঠাগত প্রাণ। আসলে এই ধরনের অস্বস্তি আমাদের কাজের তো ক্ষতি করেই, পাশাপাশি আমাদের পারিপার্শ্বিক অবস্থাকে আরও জটিলও করে তোলে। অথচ এই ইঁদুর দৌড়ের যুগে ডিপ্রেশন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠছে।

বর্তমানে বেশ কিছু সংখ্যক মানুষ মানসিক রোগ বা সমস্যাকে ইতিবাচকভাবে দেখতে শুরু করেছে, এটি আশার কথা। কিন্তু শারীরিক রোগকে যেভাবে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়, মানসিক রোগের ক্ষেত্রে তা কিন্তু হয় না। শারীরিক অবস্থার সামান্য অবনতি হলেই আমরা নিঃসংকোচে চিকিৎসকের কাছে যাই। তাহলে মন, যেটি শরীরের চেয়ে বেশি জটিল, এর পরিচর্যা বা চিকিৎসার জন্য কতজন যথাসময়ে চিকিৎসকের কাছে যান বলুনতো? 

সম্পর্ক বিষয়ক জটিলতা নিয়ে যারা বিশেষজ্ঞের কাছে যান, তাদের নানান থেরাপি দেওয়া হয়। এসব থেরাপির মধ্যে সবচেয়ে কার্যকর থেরাপিটা হলো ‘টক থেরাপি’। গবেষণায় বলা হয়, এই থেরাপি সব মানুষের মধ্য বেশ ভালোভাবে কাজ করে।

টক থেরাপি, যা মনোবিজ্ঞান নামেও পরিচিত, মূল যে ধারণাটির উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয় তা হল-আপনি যে সকল কথা বলতে দ্বিধা বোধ করছেন সেই সব কথা স্পষ্ট করে বলতে সহায়তা করা। কিছু সময় শুধুমাত্র ওষুদের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা যায়না, প্রয়োজন হয় এমন একটা মাধ্যম যেখানে মনের যেকোনো রকম জটিলতা বা সমস্যা সহজেই খুলে বলা যাবে। এই থেরাপির মাধ্যমে বহু মানুষ অনেক আনন্দে নিজেদের জীবন কাটাতে পারছেন। 

শৈশব পার হয়ে কৈশোর, এরপর যুবক। এরই মাঝখানে থাকে কিশোরবেলা, বয়ঃসন্ধিকাল। ১০ থেকে ১৯ বছর পর্যন্ত বয়সটি হচ্ছে বয়ঃসন্ধিকাল। এ সময়েই একজন কিশোর বা কিশোরীর জীবনে মানসিক, শারীরিক ও আচরণগত পরিবর্তন ঘটে। একদিকে তারা বড় হতে থাকে, আবার শৈশবকেও পুরোপুরি ছেড়ে আসতে পারে না। এ সময় কিছুটা মানসিক টানাপোড়েন দেখা দিতে পারে।

মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক শারীরিক স্বাস্থ্যের মতোই। শারীরিক সুস্থতার ক্ষেত্রে আপনি যখন সুস্বাস্থ্যের অধিকারী, তখন আপনার অনেক কর্মশক্তি থাকে এবং আপনি ভালো কাজ করতে পারেন। সেরকম, আপনি যখন মানসিক ভাবে সুস্থ, তখনও আপনি পূর্ণ উদ্যমে অনেক ভাল কাজ করতে পারেন।

Spark.Live-এ সাইকোলজিক্যাল কাউন্সিলর দেবস্মিতা সিনহা দাসের সঙ্গে অনলাইন সেশনের মাধ্যমে যেসকল সুবিধে পেতে চলেছেন তা হল:

  • সবরকম নিয়ম মেনে কাউন্সিলিং সেশন সম্পন্ন করা হবে,
  • সিসিটি, সিবিটি, ইএফটি, সাইকোডায়ানামিক, প্লে থেরাপি ইত্যাদির মতো বিভিন্ন প্রযুক্তিগত থেরাপির সাহায্যে ক্লায়েন্টের প্রয়োজন অনুসারে অধিবেশনটি চলবে,
  • ফলো আপ করা হবে,
  • প্রয়োজনে সেশনের সময় বাড়ানো হবে। 

মন ভালো থাকলে তবেই আমরা অনেক কঠিন সময় মোকাবিলা করতে পারি সহজে, কিছু সময়ে আমাদের প্রয়োজন হয় এমন একজন মানুষের যাঁকে মনের সমস্যা খুলে বলা সম্ভব হবে।



ক্লাইন্টদের দ্বারা প্রশংসাপত্র



কিভাবে এটি কাজ করে?

নিজের জন্যে অনলাইন ক্লাস নির্বাচন করুন

অসংখ্য অর্থ প্রদানের পদ্ধতি ব্যবহার করে বুক করুন

সম্পূর্ণ সেশন পান শুধুমাত্র ভিডিও কলের মাধ্যমে


সচরাচর জিজ্ঞাস্য (FAQs)